প্রকাশিত: ১৯/১০/২০২০ ৯:৪৫ এএম

ডেস্ক রিপোর্ট
শুধু রোহিঙ্গাদের বসবাসের জায়গা হিসেবে নয়, জীবন ধারণের সব উপকরণ নিয়েই ভাসানচর এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ।
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর, ভাসানচর হবে দেশের দুস্থদের আশ্রয়স্থল। তারা যেন আত্বনির্ভরশীল হতে পারেন, সেই পরিকল্পনাও করা হয়েছে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পে। আর সেই পরীক্ষামূলক কর্মসংস্থানের কার্যক্রম চলছে সফল ভাবেই।

এই চরে প্রথম পা পড়েছে মহিষদেরই। পাশের স্বর্ণদ্বীপ থেকে প্রায়ই মহিষ হারাতো। ভেসে আসতো এই চরে। খুঁজতে খুঁজতে রাখালরা পেয়ে যান ভাসানচরের খোঁজ। বিস্তীর্ণ তৃণভূমি, মিঠা পানি আর ঝড়ঝাপটা থেকে প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে, দ্রুতই মহিষ চড়ানোর জন্য জনপ্রিয় হয় ভাসানচর। রাথালরা জানান,’প্রথমে মহিষ ভেসে এসে এখানে উঠছে, আমরা মহিষ দেখে এখানে উঠলাম। দেখলাম মহিষ চরানোর জন্য এ জায়গাটা খুব ভালো। তারপর থেকে এখানে আসছি। চার বছর হলো এখানে মহিষ পালছি। হাঁস, মুরগি, গরুও পালি।

পাঠকের মতামত

 

ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের ...

আর্জেন্টিনার জয়োল্লাসের ভিডিও করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের জয়ে আনন্দ মিছিলের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে নেত্রকোনায় একটি ভবনের ছাদে ...

জরুরি ত্রাণ সহায়তা নিয়ে কক্সবাজারের বন্যাদুর্গতদের পাশে আইআরসি

কক্সবাজারে ভয়াবহ বন্যায় দুর্গতদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)। আইআরসির পক্ষ থেকে কক্সবাজারের ...